Top 10 News
Sport
News
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ১৭ হাজার শিশু
এক্সক্লুসিভ- Est 1 min
- 1560 Views
- 8 years ago
৫ শিক্ষার্থীর থিসিসে তথ্য চুরি ধরায় বাকৃবির অধ্যাপককে হেনস্তা ও অপসারণ
এক্সক্লুসিভ- Est 1 min
- 1471 Views
- 8 years ago
অনিয়ন্ত্রিত চিংড়ি রেণু আহরণে হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
এক্সক্লুসিভ- Est 1 min
- 1124 Views
- 8 years ago
Recent
Posts
ইন্দোনেশিয়ায় ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫৬ মিনিটে দেশটির নানগ্রো আচেহ দারুসালাম প্রদেশ সংলগ্ন এলাকায় এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২।
ভূকম্পনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নানগ্রো আচেহ দারুসালাম প্রদেশ থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে। এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১৪ কিলোমিটার গভীরে। উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ তীব্র কম্পন অনুভব করেন।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এবং জার্মানি ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড) উভয় সংস্থাই নিশ্চিত করেছে যে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। তবে প্রাথমিক তথ্যে এর মাত্রা ৬ দশমিক ৩ বলে জানানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সংশোধন করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পটি শক্তিশালী হলেও এতে ব্যাপক প্রাণহানি বা বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্ভাবনা কম। তবে তীব্র ঝাঁকুনিতে বাসাবাড়ির আসবাবপত্র পড়ে যাওয়া, জানালার কাচ ভেঙে যাওয়া বা দুর্বল কাঠামোর সামান্য ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি এবং বড় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক দেখা দেয়।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটি নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
Author
পাকিস্তানে আঠা কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ৬ শিশুসহ নিহত ১৬
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে একটি আঠা (গ্লু) তৈরির কারখানায় গ্যাস লিক থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ফয়সালাবাদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে ফয়সালাবাদ এলাকার ওই কারখানাটিতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। ফয়সালাবাদের কমিশনার রাজা জাহাঙ্গীর আনোয়ার জানান, কারখানার রাসায়নিকের গুদামে গ্যাস লিক হয়েছিল। সেখান থেকেই প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরবর্তীতে তা ভয়াবহ বিস্ফোরণে রূপ নেয়।
ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত:
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যে কারখানাটি ধসে পড়ে। বিস্ফোরণের প্রভাবে কারখানার আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ির ছাদ উড়ে যায় এবং অন্তত তিনটি বাড়িতে আগুন ধরে যায়।
হতাহতদের অধিকাংশই কারখানার শ্রমিক নন বরং আশপাশের আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। ধসে পড়া দেয়াল ও আগুনের ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহত ১৬ জনের মধ্যে ৬ জনই শিশু বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উদ্ধার অভিযান ও চিকিৎসা:
ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অনেককে টেনে বের করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সাতজনকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই অবহেলার ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কারখানার ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই কারখানার মালিক পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
Author
ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য!
হৃদয় বিদারক পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের। পুড়ছে দেশটির বেশ কিছু অঙ্গরাজ্য। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা দাবানলের থাবায় সব পুড়ে ছাই। সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দারা। এর মধ্যে সর্বাধিক বিপাকে হাওয়াই দ্বীপের মাউই কাউন্টিই অঙ্গরাজ্যটি।
ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের সামনে বনে যাচ্ছে সাধারন মানুষ। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা এবং বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে হাজার হাজার মানুষ। বলা হচ্ছে বিগত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক দাবানলের স্বাক্ষী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৯৩ জনে। এখনও নিখোঁজ আছে শত শত মানুষ। ইতিমধ্যে পুড়ে গেছে মাউই দ্বীপের ৮০ শতাংশের বেশি অঞ্চল। জানা গেছে, মাউইতে কমপক্ষে আরো দুটি দাবানল জ্বলছে। যদিও এখন পর্যন্ত সেখান থেকে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এরই সাথে ঐতিহাসিক লাহাইনা শহর পুরোপুরি পুড়ে এখন শুধু ছাই। লাহাইনার উত্তরে পশ্চিম মাউই–এর উপকূলীয় এলাকা কানাপালিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় আগুনের চতুর্থ দফা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আগুন নেভানো গেলেও, ছাই ছাড়া কিছু বাকি নেই সেখানে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে পারে নিহতের সংখ্যা। আর তাই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়েছে হাজার হাজার বাসিন্দাদের।
জানা গেছে, এই দাবানল এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে ঘর বাড়ি এবং অন্যান্য স্থাপনা মিলিয়ে প্রায় ১৭০০ ভবন ধ্বংস হয়েছে। এরই সাথে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখন পর্যন্ত ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।
গত মঙ্গলবার ৮ই আগস্ট এই দাবানলের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে হারিকেন ‘ডোরার’ প্রভাবে তৈরি হওয়া প্রচণ্ড বাতাসের কারণে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই দাবানলের ভয়াবহতা বিবেচনা করে গভর্নর জোস গ্রিন সূত্রপাতের দিনটিকে ‘হৃদয়বিদারক দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ধ্বংযজ্ঞ চালানো এই দাবানলের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছিল তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা কয়েকদিন ধরে হাওয়াইয়ে দমকা হাওয়া এবং শুষ্ক আবহাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা দিয়ে আসছিল। যা এ ধরনের আবহাওয়া একটি দাবানলের জন্য পূর্ব লক্ষন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স রোববার (১৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে যত দাবানলের সূত্রপাত হয় তার ৮৫ শতাংশের জন্যই দায়ী থাকেন মানুষ। অপরদিকে প্রাকৃতিকভাবে মাঝে মাঝে দাবানলের সূত্রপাত হয়। প্রাকৃতিক কারণের মধ্যে রয়েছে বজ্রপাত ও আগ্নেয়গিরি।
এদিকে সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইয়েল স্কুল অব এনভায়রনমেন্টের গবেষক এবং বিজ্ঞানী জেনিফার লোপেজ জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে যুক্তরাষ্ট্রে।
তিনি বলেছেন, ‘হাওয়াইয়ে এত ভয়াবহ দাবানল, বিষয়টি শুনতেই অস্বাভাবিক— কারন এই অঙ্গরাজ্যটি একটি ভেজা এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অস্বাভাবিক বিষয় স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।’
তার মতে, হাওয়াইয়ের এ দাবানল এত ভয়াবহ হয়েছে শক্তিশালী বাতাস এবং শুষ্ক পরিবেশের কারণে। দ্বীপটির ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে।
এদিকে মাউই– এর বনবিভাগ জানিয়েছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে চলা দাবানলের আগ্রাসনে বনাঞ্চলের শত শত একর বনভূমি পুড়ে গেছে। অনেক জায়গায় ছোট ছোট আকারে আগুন জ্বলছে। পরিস্থিতি এখনো বিপজ্জনক। পরিস্থিতি বিবেচনায়, সেখানকার বাসিন্দাদের ‘ফায়ার জোন’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে মাউই বনবিভাগের প্রধান ব্রাড ভেনচুরা।
এক শতাব্দী আগে, ১৯১৮ সালের ক্লোকেট শহরের আগুন খরাপীড়িত উত্তর মিনেসোটায় ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সম্প্রদায়ের হাজার হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে শত শত লোক মারা যায়। সেই ধ্বংসলীলার ১০০ বছর পর এবার ভয়াবহ দাবানলের থাবায় পড়তে হয়েছে দেশটিকে।

