বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
২০২৬ সালে হজে যাচ্ছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি, ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল দেব-শুভশ্রীর বিয়ে হলে ভালোই হতো: রাজ চক্রবর্তী অ্যান্টার্কটিকার বরফের ৪ হাজার ফুট নিচে মিলল প্রাচীন জঙ্গল ও নদীর অস্তিত্ব! অনৈতিক যৌনাচারে লিপ্ত হতে দেখলেই সানডে মানডে ক্লোজ করে দিতাম : ভবঘুরে সম্রাট বাসরঘরে মুখ ধোয়ার পর ‘অচেনা’ নববধূ: কনে বদলের অভিযোগ গড়িয়েছে আদালতে, বর কারাগারে আজ থেকে ৪ দিনের কর্মসূচিতে নামছেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকের বিশ্বসেরা ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান, পেছনে ফেললেন ট্রাম্পকেও আসন সমঝোতার টানাপোড়েন: ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই জামায়াতের বৈঠকে ৯ দলের নেতারা গুঞ্জনই সত্যি হলো: আজ বিয়ের পিঁড়িতে রাফসান সাবাব ও জেফার দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট

অবহেলিত রেলওয়ে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৬৩৮ Time View
ফাইল ছবি

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় অনুমোদিত ৩ হাজার ১৭১ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ২৮টি উপকারখানায় (শপ) কর্মরত আছেন ১ হাজার ২০৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ জনবল ঘাটতি ১ হাজার ৯৬৭ জন। অনেকে কমিশন পাওয়ার আশায় দেশে যন্ত্রপাতি না বানিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করতে বেশি উৎসাহী।

কোনো কারখানা কি দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি রেখে চলতে পারে? কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে বলে কথা। আড়াই দশক আগে রেলওয়েতে সোনালি করমর্দনের মাধ্যমে রেলওয়ের লোকবল কমানো হয়েছিল। সেটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত—মাথাব্যথা সারানোর নামে মাথা কেটে ফেলা।

রেলওয়ের প্রতি আগের সরকারগুলোর অবহেলা এতটাই প্রকট ছিল যে তারা মন্ত্রণালয়টি তুলে দিয়ে একটি বিভাগে রূপ দিয়েছিল। এখন আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় হলেও আগের বদভ্যাস কাটাতে পারেননি রেলওয়ের পদাধিকারীরা। যেখানে একটি কারখানায় অনুমোদিত জনবলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি, সেখানে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার আগ্রহী দাবি করা হাস্যকর। প্রতিবেশী ভারতে যখন রেলপথের সেবা বাড়ানো হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে রেলওয়ে সংকুচিত করা আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।

রেলওয়ের আয় বাড়াতে হলে এর যাত্রীসেবার মানের পাশাপাশি রেলপথের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে হবে। বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সীমিত লোকবল দিয়ে মাসে যদি গড়ে ২৬টি কোচ ও ২৫টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ রকমের যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় লোকবল থাকলে অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হতো। দেশে এসব রেলওয়ে সরঞ্জাম তৈরি হলে রেলওয়ে যেমন স্বাবলম্বী হবে, তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।

অবিলম্বে সৈয়দপুর কারখানায় অনুমোদিত পদে লোক নিয়োগ করে এর উৎপাদন বাড়ানো হোক। রেলওয়েকে স্বাবলম্বী করতে হলে এর বিকল্প নেই।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *