সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধান নিহত, নিশ্চিত করলো তেহরান সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের গভীর শোক নরসিংদীর ধর্ষণ মামলায় আসামির আশ্রয়দাতাদের শেকড় উপড়ে ফেলা হবে: আইনমন্ত্রী চুরি করা গরু দিয়ে ইফতার আয়োজন, লজ্জায় দেশ ছাড়লেন আয়োজক তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: এলজিআরডি মন্ত্রী পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইফতারে কোন কোন মসজিদে বিরিয়ানি দেবে জানাবে অ্যাপ সিনেমায় আর গান গাইবেন না অরিজিৎ সিং ২০২৬ সালে হজে যাচ্ছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি, ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল

পরকীয়ার জেরে হত্যা : দেবর-ভাবীর যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৮৩০ Time View
ফাইল ছবি

পরকীয়ার জেরে বাগেরহাটে বড় ভাই হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছোট ভাইয়ের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিহত বড় ভাইর স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন আদালত। সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফজলুল হক ভূঁইয়া ও সাইদুল ইসলাম।

জানা যায়, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হাজারী ২০০৮ সালের ২৩ আক্টোবর রাতে ঘরের সিঁদ কেটে মোয়াজ্জাম শেখের ছেলে এসকেন্দারকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এসকেন্দার শেখের ভাই মাহমুদ শেখ ও তার স্ত্রী পারভীন খাতুনের পরকীয়ার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ ঘটনার পরদিন ২৪ আক্টোবর নিহতের বাবা মোয়াজ্জাম শেখ বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় একটি হত্যা মামরা দায়ের করেন। এ মামলায় ২০১১ সালের ২৮ জুলাই বাগেরহাটের অতিরিক্তি জেলা দায়রা জজ মো. রেজাউল করিম মাহমুদ শেখকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসকেন্দারের স্ত্রী পারভীন খাতুন (২৯) ও অপর আসামি আসাদ দালুকদার (৩৫) যাবজ্জীবন দণ্ড দেন।

পরে ডেথ রেফারেন্স আসামিদের জেল আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট সোমবার উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *