বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
অ্যান্টার্কটিকার বরফের ৪ হাজার ফুট নিচে মিলল প্রাচীন জঙ্গল ও নদীর অস্তিত্ব! অনৈতিক যৌনাচারে লিপ্ত হতে দেখলেই সানডে মানডে ক্লোজ করে দিতাম : ভবঘুরে সম্রাট বাসরঘরে মুখ ধোয়ার পর ‘অচেনা’ নববধূ: কনে বদলের অভিযোগ গড়িয়েছে আদালতে, বর কারাগারে আজ থেকে ৪ দিনের কর্মসূচিতে নামছেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকের বিশ্বসেরা ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান, পেছনে ফেললেন ট্রাম্পকেও আসন সমঝোতার টানাপোড়েন: ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই জামায়াতের বৈঠকে ৯ দলের নেতারা গুঞ্জনই সত্যি হলো: আজ বিয়ের পিঁড়িতে রাফসান সাবাব ও জেফার দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট ‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে’—নিজের সেই বক্তব্য কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনলেন পলক ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে’—নিজের সেই বক্তব্য কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনলেন পলক

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকা
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬০ Time View

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেছে’—গণমাধ্যমে দেওয়া নিজের এমন বক্তব্য আজ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনতে হলো সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককেই। রোববার (১১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানিকালে এই দৃশ্য দেখা যায়।


জুলাই-আগস্টের গণহত্যার সময় ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করে প্রসিকিউশন। এ মামলার আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকলেও, পলক কারাগারে আটক থাকায় তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

শুনানির একপর্যায়ে প্রসিকিউশন টিমের পক্ষ থেকে পলকের সেই আলোচিত বক্তব্যটি বিচারকের সামনে উপস্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রাখার বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও পলকের মধ্যকার কথোপকথনের রেকর্ড ও নথিপত্র পড়ে শোনানো হয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পলক নিশ্চুপ হয়ে সেই অডিও ও কথোপকথন শোনেন।


শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আন্দোলনের সময় সাবমেরিন ক্যাবল কাটা পড়া বা মহাখালীর ডেটা সেন্টারে (বিটিসিএল ভবনে) আগুন লেগে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার যে প্রচার চালানো হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। মূলত সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশেই ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল, যাতে গণহত্যার খবর বাইরে না ছড়ায়।

প্রসিকিউটর আরও বলেন, “এই ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের মূল ‘নীলনকশা’ বা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তা বাস্তবায়ন করেছিলেন জুনাইদ আহমেদ পলক। তারা সচেতনভাবে দায় এড়াতে ছাত্র-জনতার ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছিলেন।”


ইন্টারনেট শাটডাউন ও গণহত্যার সহযোগিতার অভিযোগে এই মামলার প্রসিকিউশন পক্ষের অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন। ওই দিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

Author

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *