1. admin@dhakareport.com : Dhakareport.com :
মেসির হাতেই সপ্তম ব্যালন ডি’অর - Dhaka Report
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

মেসির হাতেই সপ্তম ব্যালন ডি’অর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১১ বার

ক্রিড়া প্রতিবেদক : ২০২১ সালের শেষটা আনন্দ ও উৎসবেরেই হলো লিওনেল মেসির। প্যারিসের থিয়েখ দু শাতেলে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বিষ্ময় ধরে রাখলেন মেসি। জিতলেন সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডি’অর!

চলতি বছরেই মেসির ২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে বার্সেলোনার সঙ্গে। কাঁদতে কাঁদতে বিদায় বলেছেন প্রিয় ন্যু ক্যাম্পকে। মেসি কেঁদেছিলেন আরও একদিন। ১৪ জুলাই। ব্রাজিলের মারাকানায় যেদিন তাদেরই হারিয়ে জিতেছিলেন আরাধ্য আন্তর্জাতিক শিরোপা।

তবে নিজ দেশকে ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকা শিরোপা এনে দিয়েছেন মেসি। ওই টুর্নামেন্টে মাঠে ছিলেন ৬৩০ মিনিট। ৪ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টসেরাও। ধুঁকতে থাকা বার্সেলোনাকেও জিতিয়েছিলেন কোপা দেলরে শিরোপা, লা লিগায় করেছিলেন তৃতীয়ও। ক্লাবটির হয়ে লা লিগাতেই করেছেন ৩০ গোল।

সবকিছুর স্বীকৃতি যেন মেসি পেলেন গতকাল সোমবার রাতে। রবার্ট লেভানডফস্কি এই পুরস্কার জয়ে ছিলেন মেসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। লড়াইটা শুধু এই দুজনের মধ্যেই দেখেছেন বেশির ভাগ বিশ্লেষক।

শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে লেফানডভস্কিকে হারিয়ে নিজের সর্বোচ্চসংখ্যক ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ডকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেলেন ৩৪ বছর বয়সী মেসি। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জেতা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবার ষষ্ঠ হয়েছেন।

২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত এ পুরস্কারটি টানা জিতেছেন মেসি। এরপর ২০১৫ ও ২০১৯ সালেও জেতেন ব্যালন ডি’অর। গত বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এ পুরস্কার দেওয়া হয়নি। গত মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৬০ ম্যাচে ৭৩ গোল করা লেভানডফস্কি ২০২০ সালে ফিফা ও উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন।

আগের ছয়বার মেসি এই পুরস্কার জিতেছেন-২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৯ সালে। সবগুলোই বার্সেলোনায় থাকতে। এক বছর বিরতি দিয়ে আবারও জিতলেন এই ট্রফি। এখন তিনি পিএসজির।

চলতি বছর মোট ৪০ গোল করেছেন মেসি। এর মধ্যে ২৮ গোল বার্সার হয়ে, ৪ গোল পিএসজির হয়ে এবং ৮ গোল করেছেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে। সর্বোচ্চ ৬১৩ পয়েন্ট পেয়ে নিজের এই পারফরম্যান্সের পুরস্কার জিতলেন মেসি।

সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার জেতা লেভা ৫৮০ ভোট পেয়ে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের দৌড়ে দ্বিতীয় হন। চেলসির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ইতালির হয়ে ইউরোজয়ী জর্জিনিও ৪৬০ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয়। বেনজেমা চতুর্থ এবং পঞ্চম কান্তে।

বর্ষসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে মেসি বলেন, ‘এখানে আবার আসতে পারাটা অবিশ্বাস্য। দুই বছর আগেও ভেবেছিলাম এবারই শেষ। কোপা আমেরিকা জয়ই চাবিকাঠি।

লেভার প্রতি মেসি বলেন, ‘সবাই জানে এবং আমরাও একমত যে তুমিই গত বছর এ পুরস্কার জিতেছ।’

প্রসঙ্গত ১৯৫৬ সালে প্রথমবার দেওয়া হয় ব্যালন ডি অর। তখন কেবল ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কার দেওয়ার নিয়ম ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে ইউরোপে খেলা বিশ্বের যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য পুরস্কারটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০০৭ সাল থেকে সেটি দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় খেলা ফুটবলারকে। সারা বিশ্বের ১৭০ জন ফুটবল সাংবাদিক বেছে নেন ব্যালন ডি অর জয়ীকে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরো সংবাদ