1. admin@dhakareport.com : Dhakareport.com :
ভারতে শ্মশান-করবস্থানে লাশের লম্বা লাইন - Dhaka Report
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

ভারতে শ্মশান-করবস্থানে লাশের লম্বা লাইন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৮ বার

ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মারা গেছেন ১ হাজার ৭৬১ জন। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যু। আর আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৯ হাজার ১৭০ জন। সংক্রমণ আড়াই লাখ অব্যাহত থাকলেও গতকালের তুলনায় রোগীর সংখ্যা কমেছে ১৪ হাজার।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। অক্সিজেন না পেয়ে রোগী মারা যাবার ঘটনাও ঘটছে আহরহ। হাসপাতালগুলোর বেশির ভাগেই আর শয্যা খালি নেই। একই বেডে দুই রোগী বা বেড না পেয়ে হুইল চেয়ারে বসে অক্সিজেন নেয়ার ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে।

মৃতের সংখ্যা দৈনিক এই পর্যায়ে চলে যাওয়ায় জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালের মর্গ, শ্মশান আর কবরস্থানগুলোতে। মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডসহ বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি মর্গগুলোর সামনে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। করোনার কারণে বেশির ভাগ মরদেহ গ্রহণ করেননি মৃতদের স্বজনরা। ফলে লম্বা অপেক্ষার পর শেষকৃত্য সম্পন্ন করছে শ্মশানের কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন জেলায় গণদাহর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লিতে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারও। অন্যান্য রাজ্যগুলো ধীরে ধীরে কড়াকড়ি ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় আছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নয়াদিল্লী: ভারতের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে রীতিমত নাজেহাল অবস্থা দেশটির। প্রতিনিয়ত লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে দেশটি। মরদেহ সৎকারের অপেক্ষায় শ্মশান ও করবস্থানে দীর্ঘ লাইন লেগে গেছে।

ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মারা গেছেন ১ হাজার ৭৬১ জন। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যু। আর আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৯ হাজার ১৭০ জন। সংক্রমণ আড়াই লাখ অব্যাহত থাকলেও গতকালের তুলনায় রোগীর সংখ্যা কমেছে ১৪ হাজার।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। অক্সিজেন না পেয়ে রোগী মারা যাবার ঘটনাও ঘটছে আহরহ। হাসপাতালগুলোর বেশির ভাগেই আর শয্যা খালি নেই। একই বেডে দুই রোগী বা বেড না পেয়ে হুইল চেয়ারে বসে অক্সিজেন নেয়ার ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে।

মৃতের সংখ্যা দৈনিক এই পর্যায়ে চলে যাওয়ায় জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালের মর্গ, শ্মশান আর কবরস্থানগুলোতে। মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডসহ বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি মর্গগুলোর সামনে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। করোনার কারণে বেশির ভাগ মরদেহ গ্রহণ করেননি মৃতদের স্বজনরা। ফলে লম্বা অপেক্ষার পর শেষকৃত্য সম্পন্ন করছে শ্মশানের কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন জেলায় গণদাহর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লিতে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারও। অন্যান্য রাজ্যগুলো ধীরে ধীরে কড়াকড়ি ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরো সংবাদ




Shares