1. admin@dhakareport.com : Dhakareport.com :
কোভিড - বন্দী শিশুদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আরিফের আহবান - Dhaka Report
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

কোভিড – বন্দী শিশুদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আরিফের আহবান

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৮ বার

ডেস্ক রিপোর্ট – বিশ্বজুড়ে কোভিড পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।পরিস্থিতি ভয়াবহতা কমাতে বাংলাদেশও লকডাউন ঘোষণা করেছে ৭ দিনের জন্য।
আজ কারাগারে আটক বন্দীদের সাথে সাক্ষাৎ ও বন্ধ করেছে সরকার।

এমন অবস্থায় বন্দী শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিশুদের মুখপাত্র খ্যাত আরিফ রহমান। গত বছর শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করে জাতিসংঘ পোস্টারে স্থান পাওয়া এই তরুন বাংলাদেশী জানান,
শিশু আদালতগুলো আইন অমান্যের অভিযোগ থাকা শিশুদের বিচার দ্রুত করা উচিৎ , যাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে তাদের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো থেকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া যায়।

শিশুদের কেন্দ্রগুলোতে সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও লজিসটিকস সহায়তা, প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও হাইজিন সুবিধা থাকার ফলে সেখানকার শিশু ও কর্মীদের সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা বা সেলফ আইসোলেশনের পক্ষে খুবই কঠিন। এসব কেন্দ্র সংক্রমণের হটস্পট হয়ে উঠতে পারে, যেখানে ভাইরাস সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেনস পদক প্রাপ্ত এই শিশু অধিকারকর্মী।

ঢাকা রিপোর্ট কে দেওয়া মুঠোফোনে এক সাক্ষাৎকারে আরিফ বলেন, সরকারের উচিৎ দ্রুত বন্দী শিশুদের মুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এতে অনেক শিশুর জীবন জড়িত, তাদের প্রতি সরকারের মানবিক আচরণ করা উচিৎ। তিনি প্রত্যাশা করেন বাংলাদেশ সরকার দ্রুত ই আটক শিশুদের বিশেষ ভারচুয়াল কোর্ট বসিয়ে এদের মুক্তি দেওয়ার ব্যাবস্থা করবে।

আরিফ আরও জানান, বিভিন্ন অপরাধে প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিশুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের রাখা হয় দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতিদিন কিছু শিশু কেন্দ্রে আসে। আবার কিছু শিশুর জামিন হয়ে যায়। ফলে নতুন নতুন শিশুর আসা-যাওয়া চলতে থাকে নিয়মিত। ৬০০ শিশু রাখার মতো ধারণ ক্ষমতা রয়েছে দেশের তিনটি কেন্দ্রের।

একটি সুত্র জানা গেছে, গত বছর ১২ মে পর্যন্ত তিনটি কেন্দ্রে বন্দি ছিল ১১৪৭টি শিশু। এদের মধ্যে গত ২ জুলাই পর্যন্ত জামিন হয়েছে ৫৮৯ জনের। এ সময় নতুন শিশু এসেছে তিন শ। জামিনে মুক্তির পর গত ২ জুলাই তিনটি কেন্দ্রে থাকা শিশুর সংখ্যা ৮৪৪। এরমধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা ৮১টি।

উল্লেখ্য, গত বছর ২০ নভেম্বর শিশু অধিকার নিয়ে সাহসীকতার সঙ্গে কাজ করায় কানাডা সরকার সম্মান প্রদর্শন করে এই তরুন বাংলাদেশী আরিফের প্রতি। দেশের শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কনফারেন্সে, অংশ নিয়েছেন জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ কানাডা সরকারের বিভিন্ন ইভেন্টে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরো সংবাদ




Shares