1. admin@dhakareport.com : Dhakareport.com :
কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিকা ‘রপ্তানি শুরু’ করবে ভারত - Dhaka Report
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিকা ‘রপ্তানি শুরু’ করবে ভারত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৬ বার

ভারতে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হলে তার ১৫ দিনের মধ্যেই রপ্তানি শুরু করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

স্থানীয় চাহিদা মেটানোর জন্য ভারত টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে বলে যে খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তাও ওই কর্মকর্তা নাকচ করেছেন বলে বিবিসি’র খবর।

বিশ্বে প্রতিবছর যত টিকা উৎপাদন হয়, তার ৬০ শতাংশের মত তৈরি হয় ভারতে। বাংলাদেশসহ অনেক দেশই ভারত থেকে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম চালান পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির নাগরিকদের টিকা প্রদান কার্যক্রাম শুরু করা যাবে বলে আশা করছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা ।

জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই দেশে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ৩০ কোটি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা মিলে করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি করেছে, তার উৎপাদন ও বিপণনের সাথে যুক্ত রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকার সঙ্গে ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকাও জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ভারতের ওষুধ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, “বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে ভারত প্রতিবেশীদের পাশাপাশি পুরো বিশ্বের প্রতি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা রক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হবে।”

তিনি বলেন, “আমাদের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হলেই ১৫ দিনের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। এর মধ্যে কিছু টিকা আমরা উপহার হিসেবে দেব। বাকি টিকা রপ্তানি করা হবে এবং আমাদের সরকার যে দামে টিকা কিনবে, মোটামুটি সেই দামেই।”

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ ভূষণ মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, অনুমোদন পাওয়ার দিন (৩ জানুয়ারি) থেকে দশ দিনের মধ্যে টিকা দেওয়া শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তারা।

সেরাম ইনস্টিটিউট বিবিসিকে জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও মরক্কোয় তারা টিকা পাঠানোর কাজ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই করতে পারবে বলে আশা করছে।

এর আগে সংবাদমাধ্যমকে পুনাওয়ালা বলেছিলেন, তারা ভারতে শুধুমাত্র জরুরি ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন এই শর্তে যে তারা বেসরকারি বাজারে এটি বিক্রয় করতে বা এটি রপ্তানি করতেও পারবে না।

রপ্তানি নিয়ে তার মন্তব্যের পর বিভ্রান্তি তৈরি হলে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি টুইট করে জানান যে ‘সব দেশে টিকা রপ্তানির অনুমতি’ তাদের আছে।

বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারেও পুনাওয়ালা বলেন, “জরুরি ভিত্তিতে টিকা ব্যবহারের যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, তার শর্ত অনুযায়ী আমরা দেশে বা বিদেশে কোনও বেসরকারি সংস্থার কাছে ভ্যাকসিনটি বিক্রি করতে পারব না। কিন্তু কোনও দেশের সরকারি টিকাদান কর্মসূচির জন্য ভ্যাকসিন পাঠাতে পারব।”

রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে এই টিকার ৩ কোটি ডোজ অর্ডার করেছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সচিব ডিসেম্বর মাসে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছিলেন যে তারা ফেব্রুয়ারির মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ব্যাচ আশা করেছিলেন।

সেরাম ইনস্টিটিউট এবং ভারত বায়োটেকের কোভিড-১৯ টিকার ৭ কোটিরও বেশি ডোজ মজুত রয়েছে এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরো সংবাদ




Shares