1. admin@dhakareport.com : Dhakareport.com :
দেশে নতুন আরো একটি বিমান বন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু হলো নোয়াখালীতে! - Dhaka Report
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশিদের কাছে ইটের জবাবে পাথর খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয়রা! সুয়ারেজের সাথে চুক্তির ঘোষণা দিল এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ অর্থের অভাবে গৃহকর্মী রাখতে পারছেন না ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী! ১০০ প্রভাবশালীর একজন গাম্বিয়ার সেই বিচারমন্ত্রী ভারতসহ তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরব যেতে প্রবাসীদের লাগবে স্মার্ট ফোন চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে জীর্ণ ৩ কন্টেইনার, যেকোন মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা! স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৪৯ টাকা কমলো,আজ থেকে কার্যকর বাংলাদেশী প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে সৌদি আরব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাটোরের সিংড়ায় হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ৩০ টি ঘরবাড়ি পবিত্র ওমরাহ চালু ৪ অক্টোবর

দেশে নতুন আরো একটি বিমান বন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু হলো নোয়াখালীতে!

Ripon Salahuddin
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৪৩ বার

শুরু হয়েছে নোয়াখালী বিমান বন্দর তৈরীর কার্যক্রম, চলছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ক্যাম্প নির্মাণ কাজ। নোয়াখালীর সদর উপজেলায় স্বাধীনতার আগে ফসলি জমিতে কীটনাশক ছিটানোর জন্য একটি এয়ারস্ট্রিপ ছিল। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সেটি যথাযথ রক্ষণাব্ক্ষেণ ও পরিচর্যার অভাবে পরিত্যক্ত রয়েছে।ওই এয়ারস্ট্রিপে ৩০ একর জমি অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেই স্থানেই তৈরি হবে ছোট বিমান উঠানামার বিমানবন্দর। নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে জেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।জেলা কৃষিসম্প্রসারণের অধিদফতরের পূর্বে চর শুলাকিয়া নামক স্থানে ১৯৯৫ সালে সরকারিভাবে একটি বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হয়‌।বিমানবন্দরটি নির্মাণের জন্য কৃষি অধিদফতর বীজ সংরক্ষণের প্রায় ৪০ একর জমিও অধিগ্রহণ করা হয়। নির্মাণ সম্পন্ন হয় বিমানবন্দরের রানওয়ে, যেখানে প্রাথমিকভাবে খরচ হয় প্রায় দুই কোটি টাকা। কিন্তু কিছু জটিলতায় সংযোগসড়ক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মিত না হওয়ায় বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজও শেষ হয়নি।

সরকারি উদ্যোগে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য শিল্পকারখানা গড়ে না উঠলেও বেসরকারী উদ্যোগে অনেকগুলো এগ্রো বেইজড ক্ষুদ্রশিল্প গড়ে উঠে এ অঞ্চলে। তাই সাগরতীরের নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠা হলে এ অঞ্চলের শিল্প সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারবে সরকার।

নোয়াখালী জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ধর্মপুর ইউপির উত্তর ওয়াপদা বাজারের পাশে জেলা কৃষি সম্প্রসারণের অধিদফতরের আগের তৈরি রানওয়েসহ বিশাল জায়গায় প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ২০১৮ সালের ২২ জুলাই সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একে.এম শাহজাহান কামালসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্থান পরিদর্শন করে বিমানবন্দর নির্মাণের ঘোষণা দেন বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় নোয়াখালী অঞ্চলে প্রবাসীদের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠিত হলে তারা সরাসরি বিদেশ থেকে নোয়াখালীতেই আসতে পারবে। একইসঙ্গে নিঝুম দ্বীপে বিদেশি পর্যটকরাও আসতে পারবে। এতে তাদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হবে না এবং ঢাকার বিমানবন্দরের উপরও চাপ কমে যাবে।

বিমানবন্দর নির্মাণ হলে নোয়াখালীর অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে।

Copyright:Bangladesh Military Affairs

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Shares