২০২৬ সালে পবিত্র হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে চূড়ান্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এবার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের কোটা ছিল ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে চূড়ান্ত নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন। নিবন্ধিতদের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাচ্ছেন ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন ৪ হাজার ২৬০ জন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। বাংলাদেশি হজযাত্রী পরিবহনের দায়িত্বে থাকবে তিনটি এয়ারলাইন্স—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।
ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী:
এজেন্সিগুলোকে ‘প্রি-হজ ফ্লাইটের’ মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে।
বাকি হজযাত্রীদের ফ্লাইটের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।
কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক জানান, সাধারণ হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য মেডিক্যাল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবে। এসব দলের তালিকা অনুমোদনের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সৌদি সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, এবার সব হজযাত্রীর জন্য ‘মেডিক্যাল ফিটনেস’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের হজের নিবন্ধন শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই এবং চূড়ান্ত নিবন্ধনের শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর। হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও হজ অফিসের মাধ্যমে এই নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।