Breaking News
শ্রীলংকায় সুদের হার বৃদ্ধি, আরো বিপদের সতর্কতা

নগদ অর্থ সংকটে থাকা শ্রীলংকায় সুদের হার এক পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে। গত তিন মাসে দ্বিতীয় দফায় সুদের হার বাড়ানো হলো।
এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮০ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেদনাদায়ক মন্দার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

শ্রীলংকার ‘দ্য সেন্ট্রাল ব্যাংক’ আমানতের পরিমাণ এবং সুদের হার ১৪.৫ শতাংশ থেকে ১৫.৫ শতাংশ বাড়িয়েছে।

দেশটিতে গত মাসে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল ৫৪.৬ শতাংশ।
শ্রীলংকায় খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘ বিদ্যুৎ ঘাটতি চলছে। এ অবস্থায় অব্যাহত রয়েছে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ এবং তারা প্রেসিডেন্ট গোটাবায়ে রাজাপাকসের পদত্যাগ দাবি করছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছর অর্থনীতি মন্দায় রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে।

প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে পার্লামেন্টে বলেছেন, অর্থনীতি সর্বোচ্চ ৭ দশমিক শূন্য শতাংশ সংকুচিত হতে পারে।

দেশবাসীকে বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হচ্ছে : বাংলাদেশ ন্যাপ

সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণেই দেশজুড়ে মারাত্মক লোডশেড়িং। দেশবাসীকে বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের অতিকথন ও আত্মতুষ্টির খেসারত দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, সরকারের ভুল নীতি, জ্বালানিখাতে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও সিস্টেম লসের কারণে আজ বিদ্যুতের এই বেহাল দশা। অথচ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ দম্ভ করে বলে আসছিলেন যে, শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করে লোডশেডিং তারা যাদুঘরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, কেবলমাত্র ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ বা আন্তর্জাতিক বাজারের কথা বলে মারাত্মক বিদ্যুৎ ঘাটতির দায় সরকার এড়িয়ে যেতে পারে না। ভর্তুকির নামে প্রতিদিন জনগণের করের কোটি কোটি টাকা অপচয় করেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ব্যর্থতা প্রমানিত।

নেতৃদ্বয় সারা দেশে ঘটা লোডশেডিং নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, সংবিধানের মূল দৃষ্টিভঙ্গিকে উপেক্ষা করে বেসরকারি খাতের প্রাধান্য বৃদ্ধির ফলে কমিশনভোগী ও বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে। প্রতিবছর জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে ও হচ্ছে। আজ তার পরিণতিতে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। কৃষি, শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশ আরেক সংকটে পড়বে।

তারা বিদ্যুৎসহ জ্বালানি খাতের অপরাধীদের চিহ্নিত ও বিচারের দাবি জানিয়ে কোনো কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি হলে প্রথমে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে সাশ্রয়ী ব্যবহার, এসির ব্যবহার বন্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। সর্বত্র এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষ, কৃষি-শিল্পের অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে বিদুৎ খাতে চুরি, দূর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও সিস্টেম লস কমাতে জরুরি ভিত্তিতে পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ, চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ দিতে না পারলে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসমূহ বন্ধ করে দিয়ে বিশাল অংকের অর্থ সাশ্রয় করা এবং সে অর্থ বিদ্যুৎ পেতে অন্যত্র ব্যয় করা উচিত।

নেতৃদ্বয় বলেন, জরুরি ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং তার জন্য এই খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সমূহের দ্রুত সংস্কার করে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। গ্যাস ও তেল উত্তলনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং এক্ষেত্রে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার প্রদান করা প্রয়োজন। শিল্প উৎপাদন, হাসপাতালসহ জরুরি পরিসেবাসমূহ লোডশেডিং এর বাইরে রাখার ব্যাবস্থা করতে হবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আশু, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে অবিলম্বে জাতীয় কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।

৫৮ দেশে ৬ হাজারের বেশি মাঙ্কিপক্স রোগী, জরুরি বৈঠকে বসবে ডব্লিউ এইচও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বিশ্বের ৫৮টি দেশে ৬ হাজারের বেশি জনের মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে।

আগামী ১৮ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া সপ্তাহে বা তারও আগে এ বিষয়ে আবারও জরুরি বৈঠকে বসবে ডব্লিউএইচওর একটি কমিটি।

মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাবকে জনস্বাস্থ্যের জন্য বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না, বৈঠকে সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হবে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা ডব্লিউএইচওর সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কবার্তা।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুস এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বলে বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতারকের খপ্পরে পড়ে হজে যেতে পারলেন না ৩০০ জন

প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ৩০০ জন এবার হজে যেতে পারলেন না। শেষ ফ্লাইট চলে গেছে গত মঙ্গলবার। কোটা পূরণ হওয়ার পরও তাদের হজে পাঠানোর নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।এই প্রতারক এজেন্সিগুলো ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৩০০ জনের ভিসা করানোর চেষ্টা করলেও সৌদি সরকারের কোটা শেষ হওয়ায় ভিসা পায়নি।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হজে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন ৩০০-এর মতো হজযাত্রী।

যারা প্রতারণা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেই সঙ্গে হজযাত্রীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ট্রাভেলস কোম্পানিসহ অন্য যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হজযাত্রীদের হয়ে কাজ করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

নোয়াখালীতে মায়ের শাড়ি দিয়ে ফাঁস দিল যুবক

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মায়ের শাড়ি দিয়ে ফাঁস দিয়ে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবার ও পুলিশ এ আত্মহত্যার কোন কারণ জানাতে পারে নি।

নিহত যুবকের নাম টিটু চন্দ্র দাস (১৯)। সে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাওতলা গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকাল মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারলে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এর আগে গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ছোট কেগনা গ্রামের মোহাম্মদ উল্যার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, নিহত যুবকের মা-বোন সোনাইমুড়ী উপজেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। সে মায়ের সঙ্গে উপজেলার ছোট কেগনা গ্রামের মোহাম্মদ উল্যার বাড়ির ভাড়া বাসায় থাকত। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বুধবার বিকেলের দিকে নিহত টিটুর পরিবারের কোন সদস্য ঘরে ছিল না । ওই সময় সে বসত ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মায়ের শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে বসত ঘরের দরজা ভেঙ্গে রাত ৮টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় এনে রাখে। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো জানায়, এখন পর্যন্ত এই আত্মহত্যার কোন কারণ জানা যায় নি। তবে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।